• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরুড়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে সাহার পদুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ বরুড়ায় মানবিক কার্যক্রমের লক্ষে ‘বরুড়া ক্লাবের’ যাত্রা শুরু লাকসামে ডাকাতিয়া নদী দখল ও ভয়াবহ পানি দূষণ: অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী নদী বরুড়ায় ৯০ বছরের বৃদ্ধ মায়ের ঘর ভেঙে দিলেন ছেলে বরুড়ায় দুই হোটেল ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বরুড়ায় ৫ বছরের শিশুরপানিতে ডুবে মৃত্যু আদালতের রায় অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ, বরুড়ায় উত্তেজনা বরুড়ায় ২য় শ্রেণির ছাত্রী শ্লীলতাহানি বরুড়ায় এ কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত বরুড়ায় ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

সিলেট বেতার কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক প্রদীপ চন্দ্র দাস এখনও বহাল তবিয়তে

Dev Farhad / ৪০৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০২৩

 

 

সিলেট বেতার কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক প্রদীপ চন্দ্র দাস এখনও বহাল তবিয়ত
সিলেট প্রতিনিধি : সিলেট বেতার কেন্দ্রে সাংবাদিকদের ঢুকতে হলে নাম্বার ধারী নিজে থেকে ‘এ’ ‘বি’ ‘সি’ গ্রেড বসানো সাংবাদিকদের উপর সেই ক্ষমতাশীল সহকারী পরিচালক প্রদীপ চন্দ্র দাস এখনও সিলেট বেতার কেন্দ্রে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। সিলেটের বেতার কেন্দ্রে এ গ্রেড সাংবাদিক ছাড়া কারও ঢুকার অনুমতি নেই বলে সেই ঘোষণাকারি প্রদীপ চন্দ্রের ক্ষমতার দাপট ও দুব্যবহারে অতিষ্ঠ করে তুলেছেন সিলেটের সুশীল সমাজকে। সম্প্রতি সিলেটের তরুন সাংবাদিক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কবি নূরুদ্দীন রাসেলের সাথে দুব্যবহার এবং বেতার কেন্দ্রে ‘এ’ গ্রেড সাংবাদিকের নাম্বার বসানো নিয়ে বির্তকের সৃষ্টি করে, যাহা সিলেট জুড়ে ব্যাপক আলোচনা ঝড় সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ বেতার সিলেট কেন্দ্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে ২০১৩ সালের ১৫ জানুয়ারী যোগদান করেন প্রদীপ চন্দ্র দাশ। বর্তমানে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত লাগাতার ১০ বছর দেড় মাস ধরে সিলেট বেতার কেন্দ্রে চাকুরী করছেন তিনি। তার অন্যত্র বদলী বা পরিবর্তন না হওয়ায় একই স্থানে দাপটের সঙ্গে কর্মরত আছেন। এরই মধ্যে এডি প্রদীপকে ৩ বার বদলীর আদেশ দেয়া হয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে। অদৃশ্য শক্তির বলে তার বদলী স্থগিত রেখে চাকুরী করে যাচ্ছেন।
এডি প্রদীপের অন্যত্র বদলী সরকারি ভাবে যথা নিয়মে না হওয়ায় গুঞ্জন চলছে। সিলেট বেতার কেন্দ্রে তার ক্ষমতার অপব্যবহার ও দাপটে সচেতন সমাজ সহ সেবা গ্রহিতারা মেনে নিতে পারছেন না। সরকারি অফিসিয়াল কাজে নিরীহদের সেবার পরিবর্তে কথায়- কথায় রাগ, উগ্র মেজাজে অতিষ্ঠ কলা-কুশলীবৃন্দ। সে জন্য তার বিরুদ্ধে তদন্তমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের কাছে ভোক্তভুগিরা জোর দাবী জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর