• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লাকসামে ডাকাতিয়া নদী দখল ও ভয়াবহ পানি দূষণ: অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী নদী বরুড়ায় ৯০ বছরের বৃদ্ধ মায়ের ঘর ভেঙে দিলেন ছেলে বরুড়ায় দুই হোটেল ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বরুড়ায় ৫ বছরের শিশুরপানিতে ডুবে মৃত্যু আদালতের রায় অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ, বরুড়ায় উত্তেজনা বরুড়ায় ২য় শ্রেণির ছাত্রী শ্লীলতাহানি বরুড়ায় এ কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত বরুড়ায় ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বরুড়ায় সেবাঘর ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত বরুড়ায় দেশীয় অস্ত্র, নানা উপকরণ সহ আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ৮ সদস্য আটক

সাংবাদিককে মারধর, ৯৯৯-এ ফোন করে বাবাকে রক্ষা করলো মেয়ে

Dev Farhad / ২৮৮ Time View
Update : শনিবার, ১ মে, ২০২১

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ নীলফামারী সৈয়দপুরে রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ খলিলুর রহমান খলিল (৪১)-কে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে শারীরিক ভাবে নির্যাতন ও মারপিট করেছে তারই আপন বড় ভাই। খলিলুর রহমান নিজে এই অভিযোগ করেন। বর্তমানে তিনি সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। গত ২৮ এপ্রিল দুপুর ১টায় সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের পশ্চিম আইসঢাল বড়পাড়ায় এই ঘটনাটি ঘটে।

খলিলুর রহমান খলিল হাসপাতালের বেডে শুয়ে বলেন, তার বাবা ফজলুল হক জীবিত থাকা অবস্থায় তার পিতার পৈত্রিক সম্পত্তির ৩৩ শতাংশ জমি থেকে ১১ শতাংশ জমি হাবিবুর রহমানের নিকট ২০১৬ সালে বিক্রয় করেন। সেই সময় জমি বিক্রয়ের দলিলে সনাক্তকারী সাক্ষী ছিলেন খলিলুর রহমান খলিল। সেই জমি বিক্রয়ের কথা তার বড় ভাই আঃ জলিল এবং ছোট দুই ভাই জুলফিকার ও আনারুলসহ পরিবারের সবাই জানতো। তার বাবার মৃত্যুর পাঁচ বছর পর হঠাৎ তার মা জোৎস্না বেগম, চাচা আঃ রহমান এবং তিন ভাই জমি বিক্রয়ের কথা অস্বীকার করেন। পরিবারের সবাই জমি বিক্রয়ের ব্যাপারে এখন খলিলকে দোষারোপ করে আসছে। ঘটনার দিন তার ভাইরা কৌশল করে খালাত ভাই আঃ মতিনের মুঠো ফোনের  মাধ্যমে ডেকে নিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে খলিলকে বেদম মারপিট করে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। খলিলের চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে আসলে তাদেরকেও গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেয় তারা।খলিলের মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করায় সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে খলিলের বড় মেয়ে ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে খলিলকে উদ্ধার করে। খলিলের মাথায় ও ঘাড়ে আঘাত পাওয়ায় তিনি সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের চতুর্থ তলার ১৭ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন আছেন। বর্তমানে খলিল ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় আছেন বলে তিনি জানান।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. ওমেদুল হাসান জানান, শরীরে মারধরের কারণে উনি শারীরিকভাবে মারাত্মক দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তাকে স্বাভাবিকভাবে ফেরাতে আমরা চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি।

তবে খলিলের বড় ভাই আঃ জলিল মুঠোফোনে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বড় ভাই হিসাবে ছোট ভাইকে শাসন করেছি মাত্র।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর