রিয়াজ উদ্দিন রানাঃ
কুমিল্লার বরুড়ায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাত ও চিকন (জিরাধান সদৃশ) বোরো ধানের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের আগানগর মাঠে ২০২৫/২৬ অর্থবছরে কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় ওই মাঠে কৃষক মো. আব্দুর রাজ্জাকের ফলন পার্থক্য কমানো প্রদর্শনী প্লটের ৫০ শতক জমিতে আবাদকৃত ব্রি ধান ১০৮ জাতের পরিপক্ক ধান শতাধিক কৃষক এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কর্তন করা হয়। পরে মাড়াই ও ধাড়াই শেষে ওই জাতের ধানের প্রকৃত ফলন পাওয়া গেছে বিঘা প্রতি ধান আকারে প্রায় ৩২ মন এবং গন্ডা প্রতি (৮শতক) প্রায় ৬ মণ ধান। এতে ওই প্রদর্শনী প্লটে ব্রি ধান ১৮০ জাতের আবাদ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষক আব্দুর রাজ্জাক। কৃষক মো. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আলী নেওয়াজ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. আনিছুর রহমান, কুমিল্লা অঞ্চল কৃষক গ্রুপের সভাপতি হাজী মো. আজগর আলী প্রমূখ। কৃষি অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, ব্রি ধান ১০৮ উচ্চ ফলনশীন চিকন জিরা সদৃশ বোরো জাত। এর জীবন কাল বীজ তলা থেকে পরিপক্ক হওয়া পর্যন্ত ১৪৯-১৫১ দিন। এর চাল প্রোটিন এ্যামালাইজ সমৃদ্ধ। যা সুস্বাদু এবং ঝরঝরে। এ জাতের ধানটি বিশেষত্ব হচ্ছে হেলে পড়া সহনশীল এবং রোগ বালাই প্রতিরোধী। কৃষক এ জাতের ধান আবাদে ভালো ফলন পাবেন এবং লাভবান হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।