• শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরুড়ায় ৯০ বছরের বৃদ্ধ মায়ের ঘর ভেঙে দিলেন ছেলে বরুড়ায় দুই হোটেল ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বরুড়ায় ৫ বছরের শিশুরপানিতে ডুবে মৃত্যু আদালতের রায় অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ, বরুড়ায় উত্তেজনা বরুড়ায় ২য় শ্রেণির ছাত্রী শ্লীলতাহানি বরুড়ায় এ কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত বরুড়ায় ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বরুড়ায় সেবাঘর ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত বরুড়ায় দেশীয় অস্ত্র, নানা উপকরণ সহ আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ৮ সদস্য আটক বরুড়ায় উৎসবমূখর পরিবেশে ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন

দুই দলকে ২৩শর্তে সমাবেশ করার অনুমতি ডিএমপি

Dev Farhad / ৭১৭৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০২৩

 

এসএম আজিজুল হাকিম: পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়ে রাজপথে থাকা বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের তিন সহযোগী সংগঠনকে একই দিনে তাদের পছন্দের জায়গায় সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

সমাবেশ ঘিরে উত্তেজনা যেন সংঘাতের দিকে না গড়ায়, সেজন্য পুলিশ দুই পক্ষকেই ২৩টি শর্ত বেঁধে দিয়েছে।

সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে থাকা বিএনপি শুক্রবার বেলা ২টা থেকে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছিল।

আর আওয়ামী লীগের তিন সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ শুক্রবার বেলা ৩টা থেকে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে শান্তি সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছিল।

ঢাকার পুলিশ কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বৃহস্পতিবার বিকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসে জানান, দুই পক্ষকেই তারা অনুমতি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আশুরার নিরাপত্তায় পুলিশের ব্যস্ততা রয়েছে, প্রতিদিন তাজিয়া মিছিল হচ্ছে। তারপরও বিএনপি ও যুবলীগকে তাদের পছন্দের জায়গায় ২৩টি শর্তে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”

দুই দলকেই তাদের চৌহদ্দী নির্ধারণ করে দেওয়ার কথা জানিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, বিএনপির ক্ষেত্রে বলা হয়েছে নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে পুলিশ হাসপাতালের মোড় (ফকিরাপুল) পর্যন্ত এলাকার মধ্যে তাদের মিছিল-সমাবেশ এবং মাইক ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। আর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোকে মহানগর নাট্যমঞ্চ থেকে মুক্তাঙ্গনের মধ্যে তাদের সমাবেশ এবং মাইক ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

বড় দুই দলকে একই দিনে সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকিগুলো পর্যালোচনা করা হয়েছে, নাকি ‘সহানুভূতিশীল হয়েই’ তাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, “আমাদের কাছে এই মুহূর্তে বড় কোনো থ্রেট নেই। যেহেতু বড় দুটি দলের বড় সমাবেশ তাই যে কোনো কুচক্রী মহল বা যে কেউ এই সমাবেশের সুযোগ নিয়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে।

“এজন্য আমরা পর্যাপ্ত পুলিশ রাখব, আনসার থাকবে, আর্মড পুলিশ (এপিবিএন) থাকবে, র‌্যাব থাকবে, আমাদের বিজিবি স্ট্যান্ডবাই থাকবে। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবো।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর