• রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন

Dev Farhad / ৫৮৪৮ Time View
Update : বুধবার, ৭ জুন, ২০২৩

Warning: Attempt to read property "post_excerpt" on null in /home/u403222581/domains/newsallbangladesh24.com/public_html/wp-content/themes/amarshomoy/single.php on line 110

জামালপুরে বিদ্যালয়ের পাওনা পরিশোধ করতে না পেরে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জামালপুর প্রতিনিধি।
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিদ্যালয়ের পাওনা পরিশোধ করতে না পেরে শিক্ষকের লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে লাভনী আক্তার নামে ৮ম শ্রেনী পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।
সোমবার (৫জুন) সকালে তারাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামের মুদি দোকানদার লাল মিয়ার তিন মেয়ে। তাদের মধ্যে লাভনী আক্তার দ্বিতীয়। লাভনী রুদ্র বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী। আগামী ৭ জুন তার অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা। পরীক্ষা দিতে লাভনীকে ২ হাজার ২শত টাকা পরিশোধ করতে হবে বলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়।
এর আগে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি করা টাকা নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে না পেরে অনেক শিক্ষার্থীকে অপমান-অপদস্ত হতে হয়। এ কারনে সোমবার সকালে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি করা টাকা না নিয়ে বিদ্যালয়ে যাবে না বলে বায়না ধরে লাবনী। পরে তার বাবা-মা অর্ধেক টাকা জোগাড় করে দিলেও কর্তৃপক্ষের কাছে লজ্জা পাওয়ার ভয়ে বিদ্যালয়ে যেতে রাজি হয়নি লাভনী। পরে পরিবারের লোকজন কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ার সুযোগে বসত ঘরের ধর্নার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে লাভনী।
তারাকান্দি গ্রামের হাবু মিয়া বলেন, রুদ্র বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কোন বিষয়ে এক টাকাও কম নেন না। তার কাছে কোন অনুরোধই কাজে আসে না।
ওই বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনী পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী অভিভাবক উজ্জল মিয়া বলেন, তার মেয়ের বেতন দিতে একদিন দেরি হয়েছিল। এ কারনে তার মেয়েকে রোদে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল।
এ ব্যাপারে লাভনী আক্তারের মা ফাহিমা বেগম বলেন, অর্ধেক টাকা জোগাড় করে দেওয়া হয়েছিল কিন্তু তার মেয়ে ভয়ে সে টাকা নিয়ে স্কুলে যায়নি। পরে ঘরের ধর্নার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
এ বিষয়ে পোগলদিঘা ইউপি সদস্য আফজাল হোসেন বলেন, বেতন দিতে না পারায় লাভনী আত্মহত্যা করেছে।
রুদ্র বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুর রহমান বাছেদ বলেন, বিদ্যালয়ের পাওনা আদায়ের জন্য কোন শিক্ষার্থীকে চাপ দেওয়া হয় না। কোন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে থাকলে সেটা হয়তো অন্য কোন বিষয়ে করেছে।
সরিষাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফয়সাল আহমেদ বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ দানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর