রিয়াজ উদ্দিন রানাঃ কুমিল্লার বরুড়ায় পৌরসভার শুশুন্ডা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেবরের হাতে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২৪ই এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় গাছ কাটা নিয়ে এ ঘটনা ঘঠে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুশুন্ডা গ্রামের মোঃ শাহজাহানের বড় ছেলে মোঃ শাখাওয়াতের ঘরের সামনে তার ভাতিজি আয়েশা গাছের চারা দা দিয়ে কাটাতে দেখে স্ত্রী লাভলী আক্তার। দেখার পরে লাভলী আয়েশাকে নিষেধ করলে দেবর নাঈমুল ইসলাম ও তাহার স্ত্রী শারমিন আক্তার এসে লাভলীকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে নাঈমুল ইসলাম শাখাওয়াতের ঘরের সামনে থাকা ৭/৮ টি চারা গাছ কেটে ফেলে। এতে লাভলী আক্তার বাঁধা দিতে গেলে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে লাভলীর উপর নাঈমুল ইসলাম ও শারমিন আক্তার তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারধর করেন। এ ব্যাপারে লাভলী আক্তার বলেন, যেকোন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাঈমুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার আমাকে বিভিন্ন সময় হুমকি ধমকি প্রদান করে এবং গায়ে হাত তুলে। পূর্বেও নাঈমুল ইসলাম আমার ঘর ভেঙে ফেলছে। আমি তার মেয়েকে গাছের চারা কাটতে নিষেধ করায় আমাকে মারধর করে এবং ঘরের সামনে থাকা সব চারা গাছ কেটে ফেলে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠ বিচার দাবি জানাচ্ছি। অভিযোগ সূত্রে নাঈমুল ইসলাম ও শারমিন আক্তার এর নিকট জানতে চাইলে, তারা গাছ কাটার বিষয়ে স্বীকার করেন এবং মারধর করেননি বলে জানান। নাঈমুল ইসলাম আরও বলেন, পূর্বে সে ঘর ভেঙে ফেলার কারনে সালিশে তার বিচার হয়েছে। এ বিষয়ে নাঈমুল ইসলামের পিতা মোঃ শাহজাহান বলেন, ঘটনার সময় আমি মসজিদে ছিলাম। গাছ কাটার অভিযোগ সত্য। পূর্বে নাঈমুল ইসলাম ঘর ভেঙে ফেলার কারনে আমি ৫ হাজার টাকা দিয়ে শাখাওয়াতের ঘর ঠিক করে দিছি। উক্ত অভিযোগের বিষয়ে পহেলা মে বরুড়া থানায় লাভলী আক্তার একটি অভিযোগ দায়ের করেন।