• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরুড়ায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বাঙ্গরা উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতারণ অনুষ্ঠিত বরুড়ায় পুর্ব শত্রুতার জের ধরেে এক জনের  মৃত্যু,আহত দুই বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ বরুড়ায় ডিমডুল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২০২৫ এর আলোচিত ১০ ঘটনা খালেদা জিয়া সাহস, সংগ্রাম, দেশপ্রেমের অনন্য উদাহরণ বরুড়ায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন এর মনোনয়নপত্র দাখিল বরুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপিত বরুড়ায় বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

ঈদকে ঘিরে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার

Riaz Uddin Rana / ৩১ Time View
Update : রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪
ছবি- সংগৃহিত

অনলাইন ডেস্ক

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাজারে সব ধরনের মসলার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আদা, রসুন, পেঁয়াজের বাজারও লাগামহীন। ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে শসা, কাঁচা মরিচের দাম। এমনকি ঈদের এক দিন আগেও ৮০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না গরুর মাংস।
রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, খিলক্ষেতসহ বিভিন্ন বাজারে একেকরকম দাম হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। মালিবাগে এলাচ ৩ হাজার ৬০০ টাকা, রামপুরায় ৪ হাজার টাকা। আবার লবঙ্গ রামপুরায় ১ হাজার ৭৭০ টাকা, মালিবাগে ২ হাজার টাকা। বাজারে দারচিনির কেজি ৫৬০ থেকে ৬০০ টাকা। এক মাস আগেও যা কেজিতে ৫০ টাকা কম ছিল। আর লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭৬০ থেকে ২ হাজার টাকা কেজি। প্রতি কেজি তেজপাতা বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়।

এ ছাড়া জয়ত্রি ৪ হাজার, জায়ফল ১ হাজার ৫০০, কাজুবাদাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ ও কাঠবাদাম ১ হাজার থেকে ১২শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

গত সপ্তাহে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন কেজি প্রতি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকায়। আদা কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে মানভেদে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায় পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন ২০০ থেকে ২২০ আর আমদানি রসুন ২২০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মাংসের চাহিদা খুব বেশি না থাকলেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে গরু ও খাসির মাংস। রাজধানীর বাজারে ৭৮০ টাকার নিচে মিলছে না গরুর মাংস। পাশাপাশি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১১শ’ টাকা কেজি।
ঈদকে সামনে রেখে বেড়েছে শসার দামও। এক কেজি শসা ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের কেজি ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, কচুরমুখি ৮০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, পটোল ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পেঁপে ৬০ টাকা, ধুন্দল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, ঝিঙা ৭০ ও শজনে ১৬০ টাকা আর প্রতিটি লাউ ৫০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলেছেন, দেশে মসলার বার্ষিক বাজার এখন ১০ হাজার কোটি টাকার ওপরে। তবে এসব পণ্যের বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পাইকারি ব্যবসায়ীদের মতে, বিশ্ববাজারে পণ্যের বাড়তি দাম এবং দেশে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি কারণে আগের চয়ে কিছু মসলার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর