• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরুড়ায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বাঙ্গরা উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতারণ অনুষ্ঠিত বরুড়ায় পুর্ব শত্রুতার জের ধরেে এক জনের  মৃত্যু,আহত দুই বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ বরুড়ায় ডিমডুল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২০২৫ এর আলোচিত ১০ ঘটনা খালেদা জিয়া সাহস, সংগ্রাম, দেশপ্রেমের অনন্য উদাহরণ বরুড়ায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন এর মনোনয়নপত্র দাখিল বরুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপিত বরুড়ায় বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

হত্যাচেষ্টায় চেয়ারম্যানের ভাতিজার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

Riaz Uddin Rana / ৭৩ Time View
Update : বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪
ভুক্তভোগী মো. দুলাল মিয়া।

মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

হত্যাচেষ্টায় কুমিল্লা মেঘনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম তাজের ভাতিজাসহ অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযুক্ত ১ নম্বর আসামি মানিকারচর গ্রামের হাসিবুর রহমান শুভ (১৮) সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশীদের ছেলে।

বুধবার (১৯ জুন) দিনগত রাত সাড়ে বারটার দিকে হামলায় আহত মো. দুলাল মিয়ার স্ত্রী রিফাত জাহান হ্যাপি বাদি হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার জয়পুর গ্রামস্থ জনৈক শাকিল মিয়ার ফার্নিচার দোকানের সম্মুখে ১ নম্বর আসামি শুভসহ কয়েকজন একসঙ্গে মো. দুলাল মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে মারধরের পর দুলাল মিয়া অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পরে গেলে অভিযুক্তরা মৃত ভেবে পালিয়ে যায়। পরে এলাকার লোকজন তাকে দ্রুত স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

আহত মো. দুলাল মিয়া জানান, গত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আমি ঘোড়া প্রতীকের রমিজ উদ্দিন লন্ডনি প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন করায় মানিকারচরের হাসিবুর রহমান শুভ ও ওই এলাকার অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকসহ বিভিন্নভাবে আমাকে হুমকি-ধামকি দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এবার তো আমাকে মেরেই ফেলার চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আমি আপনাদের তথা মেঘনাবাসির কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যার ফলে আমার স্ত্রী বাদি হয়ে মেঘনা থানায় অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছে।

এদিকে রোগীর শারীরিক ও মানসিক বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ডা. সোহেল রানা বলেন, রোগীকে আমরা ভর্তি দিয়ে কয়েকটি ডায়াগনোসিস দিয়েছি এবং চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছি। রিপোর্ট আসার পর বাকি চিকিৎসা চলবে। তবে ২৪ ঘণ্টা না যাওয়া পর্যন্ত রোগীর ভালো-মন্দ কিছুই বলা যাচ্ছে না।

মেঘনা থানার ওসি তদন্ত আব্দুর রাজ্জাক আমাদের এই প্রতিনিধিকে বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কাছে একটি অভিযোগ এসেছে। তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম তাজ রোগীকে দেখতে এসে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, এখন পর্যন্ত রোগী ভালো আছে। রোগী পুরোপুরি সুস্থ হলে এবং তার জবানবন্দি নিয়ে খুব শিগগিরই এর সঠিক বিচার করা হবে। সে যে-ই হোক না কেন তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর